মানুষ মানুষের জন্য—এই চিরন্তন বোধকে সামনে রেখে সমাজসেবায় আরও এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রুক্ষিণী–আরতি স্মৃতি জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন। শীতের হিমেল বাতাসে যখন অসহায় মানুষগুলো কাঁপছে, ঠিক তখনই রুক্ষিণী–আরতি স্মৃতি জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ নীলফামারি শাখার সহযোগিতায় নীলফামারি বৌদ্ধ বিহার সুকান দিঘী মধ্য পাড়ায় সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ৩০০ (তিনশত) শীত কম্বল বিতরণের জন্য পাঠানো হয়।শীত কম্বল বিতরণ জন্য সুন্দরবন কোরিয়ার সার্ভিস মধ্যমে পাঠানো কার্যক্রমে সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ সভাপতি তুষার বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক তাপস বড়ুয়া, দপ্তর সম্পাদক রিপন বড়ুয়া ও দীপংকর বড়ুয়া।একই সঙ্গে সাম্প্রতিক ফটিকছড়ির আবদুল্লাহপুর দক্ষিণ বড়ুয়া পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো ৬ টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে রুক্ষিণী–আরতি স্মৃতি জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন-রুক্ষিণী–আরতি স্মৃতি জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা,তুষার বড়ুয়া,মহিলা সম্পাদিকা লিপি বড়ুয়া।আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘর,চোখের সামনে নিভে যাওয়া স্বপ্ন আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মাঝে এই সহায়তা যেন তাদের বেঁচে থাকার নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছে ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা বলেন-“দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।রুক্ষিণী ও আরতির স্মৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করেই আমরা মানবতার সেবায় কাজ করে যেতে চাই।”সহায়তা গ্রহণকারী পরিবারগুলোর চোখে ছিল কৃতজ্ঞতার অশ্রু,আর মুখে ছিল নতুন করে বাঁচার প্রত্যয়। এই কার্যক্রম প্রমাণ করে—মানবিকতা আজও বেঁচে আছে, যদি থাকে কিছু মানুষের আন্তরিক উদ্যোগ।রুক্ষিণী–আরতি স্মৃতি জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে,একটু ভালোবাসা, একটু সহানুভূতিই বদলে দিতে পারে কারও পুরো জীবন। ভবিষ্যতেও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা।
প্রধান সম্পাদক প্রদীপ শীল - ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।