1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাউজান প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিলে বক্তারা’রমজান শুধু রোজা রাখার মাস নয়;এটি আত্মশুদ্ধি ও হৃদয়ের চিকিৎসার শ্রেষ্ঠ সময়’ রাউজানের চিকদাইরে আসবাবপত্র ভাংচুর করে।পরে একটি ট্রাকে করে লুট করা মালামাল নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। রাউজানে চাঞ্চল্যকর যুবদল কর্মী মুজিব হত্যা মামলায় রাজমিস্ত্রী নাঈমকে আটক ও মুক্তির দাবি সংবাদ সম্মেলন আপন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা: জ্ঞানের চর্চায় গড়ে উঠুক আলোকিত ভবিষ্যৎ রাউজানে পুলিশের বিশেষ অভিযান ২টি দেশীয় এলজি ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার ১৯ মাসে ২১ খুন রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে আবারও যুবদল কর্মী নিহত রাউজানে পুকুরে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু রাউজানে হিন্দু বাড়িতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দিলেন হিন্দু ফাউন্ডেশান মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটির উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাউজান থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে কঠোর – এমপি গিয়াস কাদের 

রাউজানে বাবার বিক্রয়কৃত জায়গা ছাড়তে চায়না পুত্র

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাউজানে জায়গা জমির বিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢিলেঢালা প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের সুযোগে দখল বেদখল অভিযোগ পাওয়া গেছে। তেমনি রাউজানে বাবার বিক্রি করা বসতভিটের ঘরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকার পর দখল দারিত্ব ছাড়ছে না ছেলে। নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে কেনা জায়গা থেকে আগে ভাড়া পেলেও গত তিনমাস ধরে ভাড়া প্রদান বন্ধ করে দেওয়ায় হতাশ দুই ক্রেতা। ঘটনাটি রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের কদলপুর গ্রামের সুভাষ মেম্বারের বাড়ীতে। ভুক্তভোগী পূর্বগুজরা ইউনিয়নের আধার মানিক গ্রামের অজিত কুমার চৌধুরীর ছেলে স্বরুপানন্দ চৌধুরী এবং কদলপুর গ্রামের মানচি পাড়ার প্রয়াত হাজী বশির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ হাসেম আজাদ। জানা যায়, গত ২০১০ সালে তৎকালীন মৌজা মূল্যে ২৭ লাখ ২৫ হাজার টাকায় পাকা বসতঘরসহ ৩৬ শতাংশ জায়গা বিক্রয় করেন কদলপুর ইউনিয়নের মৃত সতীশ চন্দ্র ভট্টচার্য্যের ছেলে মৃদুল কান্তি ভট্টচার্য্য। ক্রেতা স্বরুপানন্দ চৌধুরী ও মোহাম্মদ হাসেম আজাদ বলেন, আমরা দুইজন রেজিস্টারি বিক্রয় কবলামূলে ক্রয় করে নামজারি সৃজন করে বিক্রেতার ছেলে কনক ভট্টাচার্য্য ও ঝিনুক ভট্টচার্য্য নামে দুই ভাইকে মাসিক ভাড়া চুক্তিতে থাকার সুযোগ দিয়েছিলাম। বছরের পর বছর ভাড়া প্রদান করে বসবাস করলেও গত তিনমাস আগে হঠাৎ ভাড়া প্রদান বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে দখল দারিত্ব ছাড়বে না মর্মে জানিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধমকি দিতে থাকেন। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধমকি প্রদান করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের। অভিযুক্ত ঝিনুক ভট্টচার্য্যকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার পিতা জায়গাটি বিক্রি করেছে জেনে আমরা অতভম্ভ হয়েছি। যদি বিক্রি সঠিক হয় আমরা এখন কোথায় যাবো। জায়গার উপর পাকা বাড়ি করেছি। আমার চাওয়া তাদের সাথে সামাজিক ভাবে বসে একটি সমঝোতা হোক। তিনি বলেন, আমরা ভাড়াটিয়া হিসাবে বসতি করছি কথাটি সঠিক নয়। আমি আমার পৈত্রিক ভিটায় ঘর করে বসবাস করছি। প্রয়োজনে আমি কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়ে পৈত্রিক ভিটা রক্ষা করতে চাই।ঝিনুক ভট্টচার্য্যরে ছোট ভাই কনক ভট্টাচার্য্য বলেন, অল্প টাকায় আমার বাবা থেকে জায়গাটি ক্রয় করেন স্বরুপানন্দ ও হাসেম আজাদ। তারা দুইজন আমাদের নানা ভাবে হুমকীতে রেখেছে। তারপরও আমরা একটি সুষ্টু সমাধান চাই। বসতবাড়ি রক্ষ করতে কিছু টাকা দিয়ে হলেও সমাধানে পৌঁছাতে চাই। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট