1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাউজানের চিকদাইরে আসবাবপত্র ভাংচুর করে।পরে একটি ট্রাকে করে লুট করা মালামাল নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। রাউজানে চাঞ্চল্যকর যুবদল কর্মী মুজিব হত্যা মামলায় রাজমিস্ত্রী নাঈমকে আটক ও মুক্তির দাবি সংবাদ সম্মেলন আপন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা: জ্ঞানের চর্চায় গড়ে উঠুক আলোকিত ভবিষ্যৎ রাউজানে পুলিশের বিশেষ অভিযান ২টি দেশীয় এলজি ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার ১৯ মাসে ২১ খুন রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে আবারও যুবদল কর্মী নিহত রাউজানে পুকুরে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু রাউজানে হিন্দু বাড়িতে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দিলেন হিন্দু ফাউন্ডেশান মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটির উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাউজান থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে কঠোর – এমপি গিয়াস কাদের  কাগতিয়া দরবারের খতমে কোরআন মাহফিল সম্পন্ন

প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টে গরমিলের অভিযোগ একই রোগের দুটি পরীক্ষায় দুই রকম ফলাফল

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

রাউজানে একই রোগের দুইটি প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টে গরমিলের অভিযোগ করেছেন এক প্রবাসী রোগী। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী প্রবাসী এস. এম. ইউনুচ আমিন (৪২), উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ২৭ অক্টোবর সকালে রাউজানের গহিরা জেকে হাসপাতালে এইচবিএ১সি (HBA1.C) পরীক্ষার জন্য রক্ত দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তা তিনি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইদুল আলম রাজিবের কাছে দেখান।ডা. রাজিব জানান, রিপোর্টে রোগীর এইচবিএ১সি’র মান ১১.২% দেখানো হয়েছে, যেখানে স্বাভাবিক সীমা ৪.০ থেকে ৬.৫% পর্যন্ত। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “রিপোর্টটি সঠিক হলে রোগীর এতক্ষণ বেঁচে থাকার কথা নয়।”

এরপর তিনি রোগীকে পুনরায় পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে গত শনিবার ইউনুচ আমিন পুনরায় একই পরীক্ষা করান নগরীর এপিক হেলথ কেয়ারে। রবিবার সন্ধ্যায় পাওয়া রিপোর্টে দেখা যায়, তার এইচবিএ১সি’র মান ৫.৬%, যা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।
এপিক হেলথ কেয়ারের রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন ডা. সানজিদা মামুন ও বায়োকেমিস্ট সৌরভ দেবনাথ। অন্যদিকে, গহিরা জেকে হাসপাতালের রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন ডা. জাকের হোসাইন।জেকে হাসপাতালে একাধিকবার ফোন করেও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।ভুক্তভোগী এস. এম. ইউনুচ আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,এধরনের ভুল বা ভুয়া রিপোর্ট দিলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমি চাই, এসবের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”দুটি প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের কপি এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট