1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওমানের মাস্কাট ইতি ফাম হাউসে প্রবাসীদের ঈদ পূর্ণমিলনী ও মিলন মেলা বর্ণাঢ্য আয়োজনে তপন কুমার দত্তের অবসর সংবর্ধনা সম্পন্ন রাউজানে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়েছে নির্মাণ সামগ্রী ও নারিকেল গাছ কাফনে রক্তের দাগ:রাউজানে জানাজার আগমুহূর্তে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার ওমানে রাউজান ডাবুয়া প্রবাসী মানব কল্যাণ সমিতি ঈদ পূর্ণমিলনী সম্পন্ন নীরবে-অভিমানে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের বিদায় আবুরখীল বৌদ্ধ ভিক্ষু কল্যাণ তহবিলের উদ্যোগে গুনীজন সংবর্ধনা ও বুদ্ধ জয়ন্তী রাউজানে ঝোড় হাওয়ায় সড়কে গাছ ভেঙে পড়ে এক চালকের মৃত্যু সুরের আবেশে স্মরণীয় নজরুলজয়ন্তী: টিআইসিতে শিল্পী রিষু তালুকদারের একক সংগীতানুষ্ঠান এভারকেয়ার হসপিটাল ও হিউম্যান কেয়ারের সাথে সমঝোতা স্বাক্ষর,

প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টে গরমিলের অভিযোগ একই রোগের দুটি পরীক্ষায় দুই রকম ফলাফল

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

রাউজানে একই রোগের দুইটি প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টে গরমিলের অভিযোগ করেছেন এক প্রবাসী রোগী। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী প্রবাসী এস. এম. ইউনুচ আমিন (৪২), উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ২৭ অক্টোবর সকালে রাউজানের গহিরা জেকে হাসপাতালে এইচবিএ১সি (HBA1.C) পরীক্ষার জন্য রক্ত দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তা তিনি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইদুল আলম রাজিবের কাছে দেখান।ডা. রাজিব জানান, রিপোর্টে রোগীর এইচবিএ১সি’র মান ১১.২% দেখানো হয়েছে, যেখানে স্বাভাবিক সীমা ৪.০ থেকে ৬.৫% পর্যন্ত। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “রিপোর্টটি সঠিক হলে রোগীর এতক্ষণ বেঁচে থাকার কথা নয়।”

এরপর তিনি রোগীকে পুনরায় পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে গত শনিবার ইউনুচ আমিন পুনরায় একই পরীক্ষা করান নগরীর এপিক হেলথ কেয়ারে। রবিবার সন্ধ্যায় পাওয়া রিপোর্টে দেখা যায়, তার এইচবিএ১সি’র মান ৫.৬%, যা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।
এপিক হেলথ কেয়ারের রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন ডা. সানজিদা মামুন ও বায়োকেমিস্ট সৌরভ দেবনাথ। অন্যদিকে, গহিরা জেকে হাসপাতালের রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন ডা. জাকের হোসাইন।জেকে হাসপাতালে একাধিকবার ফোন করেও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।ভুক্তভোগী এস. এম. ইউনুচ আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,এধরনের ভুল বা ভুয়া রিপোর্ট দিলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমি চাই, এসবের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”দুটি প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের কপি এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট