1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৯ মাসে ২৩ খুনের ঘটনা রাউজানে,একদিনের ব্যবধানে আরও এক বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা। ডাবুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিদারুল আলমের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পুর্তিতে অর্ধশত শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও বর্ণাঢ্য সংগীতানুষ্ঠান সম্পন্ন রাউজানে বিএনপির কর্মীকে গুলি করে হত্যা, সড়কে লাশ নিয়ে অবরোধ স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নেজামকে জামিনের পর পুনরায় আটকের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ্য সংগীতানুষ্ঠানে ২০০ শিল্পীর সুরের মূর্ছনায় প্রাণবন্ত টিআইসি সিটি কলেজে ছাত্রদলের উপর শিবিরের হামলার প্রতিবাদে রাউজান কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ পূর্ব আবুরখীল প্রজ্ঞানন্দ স্মৃতি সংসদের নতুন কমিটি গঠিত আবুরখীল অমিতাভ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন রাউজানের কদলপুরে দুর্গা মন্দিরে ও বসত ঘরে চুরি

বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পুর্তিতে অর্ধশত শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও বর্ণাঢ্য সংগীতানুষ্ঠান সম্পন্ন

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সংগীতচর্চা একটি সমাজকে সুস্থ,মানবিক ও পথভ্রষ্টতা থেকে দূরে রাখে। সংগীত মানুষের আত্মার ভাষা—এটি ব্যক্তি ও সমাজকে করে তোলে আরও সুন্দর ও সৃজনশীল। তারা আশা প্রকাশ করেন, বাগীশ্বরী সংগীতালয় ভবিষ্যতেও সংস্কৃতির ধারাকে এগিয়ে নিয়ে নতুন প্রজন্মকে সৃজনশীলতা ও নৈতিকতার পথে অনুপ্রাণিত করবে।বক্তারা আরও বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা একটি জাতিকে অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক করে তোলে এবং তরুণদের মাদক, সহিংসতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে এর কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় বাগীশ্বরীর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, শিল্পচর্চার পাশাপাশি নিজেদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। অর্ধশত শিক্ষক সংবর্ধনা সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষকরা জাতির পথপ্রদর্শক। তাঁদের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমে শিক্ষার্থীরা গড়ে ওঠে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে। শিক্ষকরাই জ্ঞান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের আলো ছড়িয়ে সমাজকে আলোকিত করেন। তাই তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। এই আয়োজন শুধু অতীতের সাফল্য উদযাপন নয়, বরং ভবিষ্যতের পথচলার নতুন প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সবাই।
বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট (টিআইসি) মিলনায়তনে ২১ ও ২২ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন সম্পন্ন হয়। এই আয়োজনের দ্বিতীয় দিন, ২২ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যা ৫টায় অনুষ্ঠিত হয় সমাপনী অনুষ্ঠান, যা ছিল নানা আয়োজনে সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত। দিনব্যাপী কর্মসূচির পর সমাপনী পর্বে আলোচনা সভা, অর্ধশত শিক্ষক-শিক্ষিকাকে সংবর্ধনা প্রদান, বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষার সনদ ও পুরস্কার বিতরণ এবং মনোমুগ্ধকর সংগীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো আয়োজনটিকে মহিমান্বিত করে তোলে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি চারুকলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর রীতা দত্ত। অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী আব্দুর রহিম। সভাপতিত্ব করেন বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের সভাপতি লায়ন কৈলাশ বিহারী সেন, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যক্ষ রিষু তালুকদার। আবৃত্তিশিল্পী অদিতি সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাগীশ্বরীর ২১ বছর পূর্তি উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সাংবাদিক যীশু সেন, সদস্য সচিব প্রকৌশলী রিমন সাহা, ব্যাংকার উৎপল চক্রবর্তী, ডা. সৌমিত্র দাশ, অধ্যাপক ছন্দা শর্মা, শিক্ষক মো. মশিউল আনোয়ার খান, শিক্ষক এনি নাথ, শিক্ষক সমীরণ সেন, শিক্ষক পলাশ দে। প্রমুখ।অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অর্ধশত শিক্ষক-শিক্ষিকাকে সংবর্ধনা প্রদান। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাদানে অবদান রাখা এসব গুণী শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে ছিলেন ছন্দা শর্মা, সৌমেন দাশ, রশ্মি চৌধুরী, শান্তা চক্রবর্তী, লাবনী প্রভা দত্ত, যীশু সেন, পম্পি মল্লিক, স্বাতী সেন, সুস্মিতা দাশ, এনি নাথ, সরস্বতী চৌধুরী, মোঃ মশিউল আনোয়ার খান, শিপীকা কুণ্ডু, পুতুল রাণী ধর, জয়ন্তী রাণী রায়, তুলিকা ভট্টাচার্য্য, ঝুমুর খাস্তগীর, শুভ্রা চৌধুরী, জয়শ্রী দত্ত, বর্ণা তালুকদার,সনাতন দাশ, রূপক ভট্টাচার্য্য, নিরুপম দাশ, মুন্না ভট্টাচার্য্য,সুমি সেন, মনিষা সরকার, জয়শ্রী চক্রবর্তী, সুভাষ চক্রবর্তী, রুমকি সেন, সমীরন সেন, রুমি দত্ত,কলি সরকার, সুধাংশু বিকাশ দাস, ডা. সৌমিত্র দাশ,শোমা খাস্তগীর,প্রিয়াংকা দত্ত, কনিকা পাল,রনি চক্রবর্তী,বিজয়লক্ষ্মী দত্ত, মম দাশ, তমা দত্ত, পলাশ দে, অদিতি সাহা।সংগীতানুষ্ঠানে বিভিন্ন গ্রুপে শিল্পীরা পরিবেশন করেন হৃদয়গ্রাহী সংগীত।সুফিয়া কামাল,বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন,কবি আল মাহমুদ,কবি জসীম উদ্দিন,কবি জীবনানন্দ দাশের নামে গঠিত গ্রুপগুলোতে সংগীতানুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন ডা. সৌমিত্র দাশ, মৌমিতা বিশ্বাস,রিয়া দে,বিজয় দেবনাথ, কাঞ্চন দাশ, প্রিয়া দেব,ঝুমুর খাস্তগীর, মিথুন দাশ, চিন্ময় দে, প্রিয়ন্তী দাশ পূর্বা,বৃষ্টি চক্রবর্তী, সৌরভ সাহা, সমীরণ সেন, তৃষ্ণা দেবনাথ, স্নিগ্ধা দাশ, নিলয় সেনগুপ্ত,দীপা মিত্র, ললিত নারায়ণ দাস, স্নেহা মজুমদার,ঝিনুক রাণী নাথ,এড. সব্যসাচী আচার্য, ছন্দা শর্মা,মো. মশিউল আনোয়ার,শুভ্রা চৌধুরী,লাবনী দত্ত,হিমেন গুহ,পারমিতা চৌধুরী,স্বস্তিকা মজুমদার,পূর্ণা বণিক,অস্মিতা বড়ুয়া, নিকিতা বিশ্বাংগ্রী, অর্জুন তালুকদার,অপর্ণা চৌধুরী,স্নেহা দাশ, নিধি রুদ্র,মো. আলমগীর,সৌরি বড়ুয়া প্রমূখ।যন্ত্রে সহযোগিতায় করেন কিবোর্ডে কে বি পলাশ, অক্টোপ্যাডে মানিক দাশ, বাঁশিতে নিলয় দে, বেস গিটারে মো: মঈন উদ্দিন মিলন, তবলায় রূপক চক্রবর্তী,সৌমেন দাশ ও পলাশ দে।পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থীদের সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয় এবং দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে একক, দ্বৈত ও দলীয় সংগীতে প্রায় চার শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে টিআইসি মিলনায়তন মুখরিত হয়ে উঠে সুরের মূর্ছনায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট