1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আবুরখীল অমিতাভ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন রাউজানের কদলপুরে দুর্গা মন্দিরে ও বসত ঘরে চুরি রাউজান পৌর এলাকায় কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রাউজান পৌর এলাকায় কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রাউজান থানা পুলিশের বিরুদ্ধে স্বামীকে না পেয়ে ঘর লুটপাট, স্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ মাস্কাট রুই আল ফালাহ হোটেলে বাঙালিদের মিলনমেলা বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে পরিক্ষায় ভাল ফলাফলের মাধ্যমেঃ মুসলেহ উদ্দিন রাউজানে আব্দুস সালাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীণ বরণ,বিদায় সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণ   কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন চুয়েটে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে জাতীয় মা মাছ প্রথম ধাপে ডিম ছেড়েছে

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মে, ২০২২
  • ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালীবাউস ও কার্প জাতীয় মা মাছ ডিম ছেড়েছে। গত কয়েকদিন থেকে ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে জাল ফেলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের অপেক্ষায় ছিল। ১৬ মে সোমবার ভোর সকালে বৃষ্টি শুরু হলে মা মাছ ডিম ছাড়া শুরু করে। সকাল থেকে শত শত নৌকা নিয়ে ডিম সংগ্রকারীরা উৎসব মূখর পরিবেশে ডিম সংগ্রহ করতে দেখা যায়। হাটহাজরী উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নের নয়াহাট বাজার, রাউজান উপজেলার আজিমের ঘাট, পুরালিয়া সুইচগেট, মাছুয়া ঘোনাসহ হালদা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মা-মাছ ডিম ছেড়েছে বলে জানিয়েছেন ডিম সংগ্রহকারী রোসাঙ্গীর আলম, বাপ্পী বড়ুয়া। পুরোদমে ডিম সংগ্রহের জন্য নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে শতশত ডিম আহরণকারীরা নৌকা নিয়ে নদীতে জাল ফেলার দৃশ্য দেখা যায়। হালদা বিশেষজ্ঞ প্রফেসার আলী আজাদী জানান, সাধারণত প্রতি বছর এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুন পর্যন্ত অমাবশ্যার জো’তে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসলে নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ে। এতদিন ডিম না ছাড়লেও সোমবার ভোর সকালের দিকে মা মাছ নদীতে ডিম ছেড়েছে। রাউজান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পীযুষ প্রভা কর জানান, হালদা নদী থেকে ডিম আহরণ করে নিরাপদে রেণু ফোটানোর জন্য রাউজান ও হাটহাজারী অংশে সরকারি ৪টি হ্যাচারিতে গোলাকার ও আয়তাকার মিলে মোট ১৫০টি ও আইডিএফ এর ১৫টিসহ সর্বমোট ১৬৫ সিমেন্টের কুয়া তৈরি আছে। এছাড়া রাউজানে ৩৪ গ্রুপে ৮৪টি কুয়া, হাটহাজারীতে ২৮ গ্রুপে ৮৩টি, ও আইডিএফ এর ৮টি মাটির কুয়াসহ এখন পর্যন্ত দুই পাড়ে ১৭২টি মাটির কুয়া প্রস্তুত আছে। তিনি জানান, এ বছর কি পরিমান ডিম সংগ্রহ হয়েছে তার সঠিক পরিমান এখনো হয়নি। ডিম সংগ্রকারীদের সাথে কথা বলে সঠিক পরিমান নির্নয় করা হবে। এদিকে হালদা নদীতে যাতে কেউ মাছ চুরি করতে না পারেন সেজন্য উপজেলা প্রশাসন বরাবরের মতো নজরদারী অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেনায়েদ কবির সোহাগ। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে সংগ্রহ করা ডিম হ্যাচারী গুলোতে আনা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে সব ধরণের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, হালদা নদী থেকে গত বছর ২২মে প্রায় ২৫৫৩৬ কেজি, ২০১৯ সালের ২৫ মে প্রায় ১০ হাজার কেজি, ২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল ২২৬৮০ কেজি, ২০১৭ সালের ২২ এপ্রিল ১৬৮০ কেজি, ২০১৬ সালের ২ মে ৭৩৫ কেজি, ২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল ও ১২ জুন ২৮০০ কেজি, ২০১৪ সালের ১ মে ১৬৫০০ কেজি, ২০১৩ সালের ৫ মে ৪২০০ কেজি, ২০১২ সালে ৮ এপ্রিল ২১২৪০ কেজি, ২০১১ সালে ১৮ এপ্রিল ১২৬০০ কেজি, ২০১০ সালে ২২ মে ৯০০০ কেজি ও ২০০৯ সালে ২৫ মে ১৩২০০ কেজি ডিম আহরণ করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট