1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সর্বজয়া মা অ্যাওয়ার্ড তুলে দিলেন মেয়র এক প্রবাসীর স্ত্রী রেহেনা সুলতানা রিতাকে রাউজান নোয়াজিশপুরের প্রাচীন ঈশা খাঁ দিঘির জলীয় অংশ দখলের অভিযোগ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তায় দিল রাউজান উপজেলা যুবদল রাউজানের এমপির রোগমুক্তি কামনায় ‘সনাতনী সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধ পরিষদের’ প্রার্থনা সভা রাউজানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ছয় বসতঘর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর’র দেখা নেই, নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত ৬ নং ওয়ার্ডবাসী অশ্রুসিক্ত নয়নে চিরনিদ্রায় শায়িত আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তাখান আযহারী বিশ্ব নৃত্য দিবসে সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমির নৃত্য উৎসব “এসো ছন্দের আনন্দযজ্ঞে “ হালদা নদীতে প্রথম দফায় মা মাছ ডিম ছেড়েছে রাউজানে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আউশ বীজধান ও সার বিতরণ

শসা চাষ করে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৭০৭ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শসা চাষ। চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। পানির ওপর মাচায় হলুদ-সাদা ফুল কিংবা থরে থরে ঝুলছে শসা। এমন দৃশ্যই দেখা যায় মাগুরার বিভিন্ন মাঠ ও খেত খামারে। এবার শসার আবাদও ভালো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো। এতে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। শসার বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরা শুরু হয়।

বিঘাপ্রতি খরচ হয় ১০ হাজার আর বিক্রি হয় ২০ হাজার টাকায়। লাভ বেশি হওয়ায় শসার চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।

সদর উপজেলার ট্যাংগাখালী মাঠ ঘুরে দেখা যায়, শসার পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পাইকারদের কাছে শসা বিক্রি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন অনেক কৃষক। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের কাছে প্রতি মণ শসা ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন তারা।

শসা চাষি পারভেজ বলেন, এ মৌসুমে দুই একর জমিতে শসার আবাদ করেছেন, যাতে খরচ হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। এতে বিক্রি হবে ২ লাখ টাকার বেশি। এবার আবহাওয়া ভালো। বাজারে শসার ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

গোমকোট গ্রামের শসা চাষি কামাল হোসেন বলেন, প্রায় দেড় একর জমিতে শসার আবাদ করেন তিনি। প্রথমবার অধিক বৃষ্টির ফলে অনেক গাছ মারা যায়। পরে আবার গাছ লাগাই। এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে শসা বিক্রি শুরু করব। কিন্তু কৃষি অফিসার বা তাদের অফিস থেকে কোনো সুযোগ পাইনি।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, এ মৌসুমে মাগুরা জেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়।

আবহাওয়া ভালো থাকায় বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। এছাড়া কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের মধ্যে প্রয়োজনীয় বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান এ কৃষি কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট