1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আবুরখীল অমিতাভ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন রাউজানের কদলপুরে দুর্গা মন্দিরে ও বসত ঘরে চুরি রাউজান পৌর এলাকায় কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রাউজান পৌর এলাকায় কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল রাউজান থানা পুলিশের বিরুদ্ধে স্বামীকে না পেয়ে ঘর লুটপাট, স্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ মাস্কাট রুই আল ফালাহ হোটেলে বাঙালিদের মিলনমেলা বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে পরিক্ষায় ভাল ফলাফলের মাধ্যমেঃ মুসলেহ উদ্দিন রাউজানে আব্দুস সালাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীণ বরণ,বিদায় সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণ   কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন চুয়েটে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন

রাউজানের সবুজ পাহাড়ের আর্তনাদ যেন প্রশাসনের কানে পৌঁছাচ্ছে না

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩১ বার পড়া হয়েছে

শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ:
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার সবুজে ঘেরা পাহাড়গুলো আজ নীরবে কাঁদছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত এই পাহাড়ি জনপদে দিনের পর দিন নির্বিচারে পাহাড় কেটে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু সেই বোবা পাহাড়ের আর্তনাদ যেন প্রশাসনের কানে পৌঁছাচ্ছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ,প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি ও বালি বিক্রি করে আসছে। রাতের আঁধারে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পাহাড় কাটা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও কৃষি ব্যবস্থা।সরেজমিনে দেখা গেছে, রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পরিত্যক্ত মাসুদ আলমের ইটভাটার পাশ থেকে কৃষিজমি কাটা হচ্ছে। একইভাবে আইলীখীল হলদিয়া বিল, কাজীপাড়া বিল, ও কদলপুর ইউনিয়নের জয়নগর বড়ুয়াপাড়া এলাকায় বিশাল পাহাড় কেটে মাটি ও বালি উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুধু পাহাড় নয়—নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে ফসলি জমিও। এতে একদিকে যেমন কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়ছে।মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,রাতে মাটি পরিবহনের সময় প্রতি ট্রাক থেকে হাইওয়ে পুলিশকে টাকা দেওয়া হয়। সব ম্যানেজ করেই কাজ চলে।স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিখেকো চক্র পুলিশ-প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে বেপরোয়াভাবে রাতের আঁধারে খননযন্ত্র দিয়ে বালি ও মাটি কাটলেও প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনকভাবে নীরব।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে পাহাড় কাটা অব্যাহত থাকলে রাউজানসহ আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন,কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ মূল্য দিতে হবে। পাহাড় রক্ষায় নিয়মিত অভিযান, পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।এবিষয়ে রাউজান উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অংছিং মারমা বলেন,“পাহাড় কাটা বন্ধ এবং কৃষিজমি রক্ষায় একটি বিশেষ টিম গঠন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট