
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী নিয়ে গানের প্রকাশনা উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার ৩ এপ্রিল সকালে হালদা নদীর আইডিএফ হ্যাচারী চত্বরে গানের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাউজান পৌরসভার সাবেক কমিশনার হালদা পাড়ের বাসিন্দা আশেক রসুল রোকন এ গানের রচিয়তায়। হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবটারীর সহযোগিতায় গানের এই প্রকাশনা অনুষ্ঠান ডঃ শহীদুল্লাহ একাডেমি পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।গানের প্রকাশনা উৎসব উদ্বোধন করেন বিজিসি ট্রাষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও হালদা রিভার রিচার্স সেন্টার চট্টগ্রাম বিশ্বিবদ্যালয়ের কো অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মনজুরুল কিবরীয়া, বিশেষ অতিথি ছিলেন,হাটহাজারী সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শওকত আলী ও রাউজান সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন ফাহিম, গানের রচিয়তা রাউজান পৌরসভার সাবেক কমিশনার আশেক রসুল রোকন,আইডিএফ কো অর্ডিনেটর মোঃ শাহআলম,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শামছিল আরেফিন, মোমতাহেনা বেগম,মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ খালেদ রহমান, মোঃ কামাল উদ্দিন,মেম্বার মাহাবুব আলম,মেম্বার মোঃ এসকান্দর, মাহমুদুল হাসান,মোঃ মোশারফ হোসেন সহ স্থানীয় মৎস্য পোনা সংগ্রহকারিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ড.মনজুরুল কিবরীয়া বলেন, হালদার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি,প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় হালদা নদী নিয়ে করা গানে ফুটে উঠেছে মায়াবী ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি।হালদা পাড়ের মানুষের জীববৈচিত্র্য, ডিম সংগ্রহ ও পোনামাছ উৎপাদন গানে ছন্দে প্রস্ফুটিত হয়েছে। হালদা নদী দেশের সম্পদ।এ নদী রক্ষা করতে। তিনি হালদা রক্ষায় সকলের সার্বিক সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন।গানের রচয়িতা আশেক রসুল রোকন বলেন,আমি হালদা পাড়ের বাসিন্দা। শৈশব কৈশোর জীবন অতিবাহিত করেছি হালদার কাছাকাছি থেকে আপন মহিমায়। এ নদীর প্রতি আমার আমার আবেগের জায়গা থেকে গান লিখেছি। গানের প্রতিটি কথা বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে। তিনি হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবটারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন,আপনারা আমার লেখা গানের প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করে কৃতজ্ঞতা বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন। ভবিষ্যতে প্রাণের স্পন্দন হালদা নদীকে নিয়ে আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস সবসময় অব্যহত থাকবে।
Leave a Reply