1. multicare.net@gmail.com : আলোকিত রাউজান :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারী ও নিজস্ব তহবিলের খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছি বন্যা দুর্গতদেরঃ গিয়াস কাদের চৌধুরী এমপি রাউজানে এমপির ব্যক্তিগত তহবিলের ত্রাণ বিতরণ করলেন এমপির পুত্রবধূ রাউজানে টানা বৃষ্টিতে কর্মহীন মানুষের মাঝে চালসহ শুকনো খাবার বিতরণ চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক ও রাউজানের বিভিন্ন সড়কে পানি, যানচলাচলকারী যানচলাচল বন্ধ বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) রাউজান দক্ষিণ শাখার কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কাগতিয়া দরবার শরীফে পবিত্র শোহাদায়ে কারবালা (রা.) স্মরণে ৭৪তম আশুরা মাহফিল উদযাপিত জনদুর্ভোগ লাঘবে রাউজান পৌর কর্তৃপক্ষের নালা পরিষ্কার কার্যক্রম চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে যোগ দিবস অংশ নিলেন শত শত যোগপ্রেমী রাউজানে যুবদলনেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি পার্বত্য এলাকায় র‍্যাবের হাতে আটক হালদা নদীতে দ্বিতীয় দফায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ

বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ্য সংগীতানুষ্ঠানে ২০০ শিল্পীর সুরের মূর্ছনায় প্রাণবন্ত টিআইসি

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সংগীত মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি দেশের ইতিহাস, জীবনধারা ও মূল্যবোধ সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। পুরানো দিনের গান, লোকগান, দেশাত্মবোধক গান কিংবা ঐতিহ্যবাহী সংগীতের মাধ্যমে একটি জাতির পরিচয় বহন করা হয়। ফলে সংগীত একটি দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাগীশ্বরী সংগীতালয় শুদ্ধ সংগীতচর্চা ও সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তারা স্মরণ করেন হারানো দিনের সেই সুরেলা সংগীতকে—যেখানে কথার সঙ্গে সুরের এক অনবদ্য মেলবন্ধন ছিল,ছিল মানবিকতা, প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং জীবনের সরল আবেগের নিখুঁত প্রকাশ। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সেই সময়ের গান কেবল বিনোদনের মাধ্যমই ছিল না; বরং তা ছিল আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ধারক, যা মানুষকে ভাবতে, অনুভব করতে এবং সমাজকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করেছে। বর্তমান প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্যবাহী সংগীতের মূল্য তুলে ধরতে এমন আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মত দেন বক্তারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন প্রজন্ম অতীতের এই সুরধারাকে ধারণ করে ভবিষ্যতের সংগীতকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং সবাইকে এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের ২১ বছর পূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউট (টিআইসি) মিলনায়তনে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন। ২১ ও ২২ এপ্রিল বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত এই উৎসবের ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার
প্রথম দিনেই প্রাণবন্ত আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।
প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী আব্দুর রহিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগীশ্বরী সংগীতালয়ের সভাপতি লায়ন কৈলাশ বিহারী সেন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যক্ষ রিষু তালুকদার।
আবৃত্তিশিল্পী অদিতি সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সাংবাদিক যীশু সেন, সদস্য সচিব প্রকৌশলী রিমন সাহা, ব্যাংকার উৎপল চক্রবর্তী, ডা. সৌমিত্র দাশ, শিক্ষক মো. মশিউল আনোয়ার খান, শিক্ষক সমীরণ সেন ও শিক্ষক পলাশ দে প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে শুরু হয় সংগীতানুষ্ঠান। ‘পঞ্চকবি’র স্মরণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, রজনীকান্ত সেন, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও অতুল প্রসাদ সেনের অমর সৃষ্টিগুলো পরিবেশন করেন প্রায় দুই শতাধিক শিল্পী। অদ্রি সেন, সজীব চৌধুরী, অর্পিতা দাস, সনাতন দাশ, আকাশ দত্ত, অদ্রিতা চৌধুরী, ঋষিক রায়, অংকিতা সেন, অধর দত্ত, বৃষ্টি ঘোষ,আদ্রিতা চৌধুরী, ভবতোষ রুদ্র, সুদীপ্ত দাশ, সৃষ্টি বণিক, প্রিয়ন্তী দাশ, নয়ন গুহ, অনিন্দিতা চৌধুরী, নিলাদ্রী দাশ, কৈলাশ বিহারী সেন, চুমকী নন্দী, টিসু সেন, রিয়া দাশ, আনন্দ সেন, বর্ণা দে, মনিষা সরকার, রিমন সাহা, উমা সেন, অপূর্ব শীল, তৃষ্ণা দাশ, মম দাশ, স্বস্তিকা নন্দী, তীর্থ শীল, আরাধ্যা চক্রবর্ত্তী, অহর্নিশ সাহা, পুনম দাশ,সুইটি বর্মন, শ্রেয়া দাশ, রাজদীপ দাশ, অপূর্বা তালুকদার, মৌবনী সেনগুপ্তা, অহেনজিতা দাশ, সোহান হোসেন, অদ্রিজা চৌধুরী, অদ্রিতা ব্যানার্জি, অমৃতা চক্রবর্তী, পারমিতা চন্দ, ঐন্দ্রিলা চক্রবর্তী, প্রিয়ন্ত দাশগুপ্ত, পৃথুরাজ দাশ দীপ, কোমল ধর, তৃষাগ্নী তালুকদারসহ অসংখ্য শিল্পীর সম্মিলিত পরিবেশনায় মিলনায়তন ভরে ওঠে সুরের মূর্ছনায়। যন্ত্রে সহযোগিতায় করেন কিবোর্ডে কে বি পলাশ, অক্টোপ্যাডে মানিক দাশ,বাঁশিতে নিলয় দে, বেস গিটারে মো: মঈন উদ্দিন মিলন,তবলায় রূপক চক্রবর্তী,সৌমেন দাশ ও পলাশ দে।মনোমুগ্ধকর এই পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতারা উপভোগ করেন শুদ্ধ সংগীতের এক অনন্য আসর।প্রথম দিনের এই আয়োজন প্রমাণ করেছে—বাগীশ্বরী সংগীতালয় কেবল একটি সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়,এটি একটি চলমান সাংস্কৃতিক আন্দোলন,যা ভবিষ্যতেও শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট